মালয়েশিয়ার রমজান সংস্কৃতি

রমজান দেশে দেশের আজকের আয়োজনে থাকছে মালয়েশিয়ার কথা।

এশিয়ার খাদ্যস্বর্গ হিসেবে পরিচিত মালয়েশিয়ায় চাঁদ দেখার সঙ্গে সঙ্গে একে অন্যকে ‘শাহরুন মুবারাকুন’ বলে রমজানের শুভেচ্ছা জানান। আর রমজান আগমণের বার্তা এলান করে রোজা রাখার আহ্বান জানায় স্থানীয় গণমাধ্যম।

রমজানের পবিত্রতার ছোঁয়া লাগে যেনো পুরো মালয়েশিয়ায়। প্রধান সড়কগুলোর চেনা রূপ পাল্টে যায়। বছরজুড়ে ছিমছাম থাকলেও এ সময় আলোকচ্ছটার নতুন আভায় ঝলমলিয়ে ওঠে সড়কগুলো। 

রমজানে রোজাদারদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়। অসহায়, গরিব ও দুঃস্থদের জন্য থাকে বিশেষ সহায়তা। নিত্যপণ্যে সরকারের সঙ্গে বিশেষ ছাড় দেয় ব্যবসায়ীরাও।

সাধারণত খেজুর দিয়ে রোজা ভাঙেন রোজাদাররা। ইফতার তালিকায় থাকে চাল, নারকেল, মসলা, আখের রস দিয়ে বানানো নাসি আয়াম, নাসি লেমাক, লাকসা, আয়াম পারসেক। হালুয়া, নরম খিচুড়ি, বিরিয়ানি, ফল, রুটি-গোশতের সঙ্গে ইফতার আইটেমে যোগ হয় গুতরা মুন্ডি ও বাদেক।

সেহরিতে ভাতের সঙ্গে মুরগির মাংস, ডিম, হালুয়াজাতীয় খাবার খাওয়া হয় বেশি। সবশেষে থাকে বিশেষ পানীয় ‘কোলাক’। পরিবার নিয়ে সাহরি করলেও খাবার-পানীয় নিয়ে মসজিদে ইফতার করেন রোজাদাররা।

রমজানে মালয়েশিয়াজুড়ে থাকে জান্নাতি আমেজ। মুসুল্লিদের জন্য মসজিদের দরজা থাকে ২৪ ঘণ্টা খোলা। প্রতিটি মসজিদ থাকে কানায় কানায় পূর্ণ।

মসজিদে মসজিদে কোরআন তেলাওয়াত, তফসির, হাদিস, ফিকাহ, আকাঈদ, মাসালা-মাসায়েলসহ দেশটির ধর্মীয় নানা শিক্ষামূলক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণীর আয়োজন থাকে চোখে পড়ার মতো।

এমকে

[খবরটি এখান থেকে এসেছে]

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*