পাকিস্তানে ঘাঁটি নির্মাণ করে আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বী হচ্ছে চীন!

প্রকাশঃ জুন ৭, ২০১৭


বিডিমর্নিং ডেস্ক-

পাকিস্তানে ভবিষ্যতে চীনের ঘাঁটি নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে। আফ্রিকার জিবুতিতে ঘাঁটি স্থাপনের পর চীন বিদেশে আরো ঘাঁটি নির্মাণ করবে বলে গেছে। বিদেশের মাটিতে সেনা ঘাঁটি নির্মাণ করে আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বী হতে যাচ্ছে চীন। মার্কিন কংগ্রেসে এই নিয়ে ৯৭ পাতার একটি রিপোর্টও জমা পড়ছে।

পেন্টাগনের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে থেকে এই তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে বারবার জিবুতিতে চীনা ঘাঁটির কথা তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এটিই বিদেশে চীনের প্রথম নৌঘাঁটি। এ অঞ্চলে মার্কিন একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি রয়েছে। ঘাঁটিটি লোহিত সাগরে দক্ষিণ দিক থেকে ঢোকার কৌশলগত পথের কাছে অবস্থিত। সুয়েজ খালে এ পথেই যেতে হয়।

ভারত মহাসাগরের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে জিবুতি অবস্থিত। এটি চীনের ‘মুক্তা মালার’ অংশ হয়ে উঠতে পারে মনে করে উদ্বেগে রয়েছে ভারত। সামরিক মিত্রতা এবং সম্পদ গড়ে তোলার মাধ্যমে ভারতকে ঘিরে ফেলার অংশ এটি হয়ে উঠতে পারে। মিয়ানমার, শ্রীলংকা এবং বাংলাদেশ চীনের এ ‘মুক্তা মালার’ অংশ বলে ধারণা করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের মতো দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ কৌশলগত স্বার্থ রয়েছে যে সব দেশের সঙ্গে  চীন সেখানে হয়ত বাড়তি ঘাঁটি নির্মাণ করতে চাইবে।

অবশ্য পাকিস্তানে ঘাঁটি নির্মাণ করলে ভারতের প্রতিক্রিয়া নিয়ে প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি।

মার্কিন কংগ্রেসের কাছে পেশ করা পেন্টাগনের ৯৭ পাতার প্রতিবেদনে এ সব পূর্বাভাষ দেয়া হয়েছে। ২০১৬ সালে চীনা সেনা বাহিনীর ব্যাপক উন্নয়নের প্রেক্ষাপটে এ সব কথা বলা হয়। পেন্টাগনের হিসাব অনুযায়ী প্রতিরক্ষা খাতে একই বছরে চীন ব্যয় করেছে ১৮ হাজার কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ।

অবশ্য, চীনের বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে যে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছিল পেন্টাগনের হিসাবে তার চেয়ে বেশি ব্যয় দেখানো হয়েছে। এ খাতে চীন বরাদ্দ করেছিল ১৪০৪০ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ।

প্রতিবেদন আরো বলা হয়েছে, চীনের নেতৃবৃন্দ নিকট ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমনকি  অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি কমে এলেও এ অঙ্গীকার বজায় রাখা হবে বলে পেন্টাগন মনে করছে।

সম্পর্কিত সংবাদ

কমেন্টস

[খবরটি এখান থেকে এসেছে]

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*