সিরাজদিখানে আলিফ হত্যা মামলার প্রধান আসামী আটক

প্রকাশঃ জুন ৭, ২০১৭


মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

মুন্সীগঞ্জে স্কুল ছাত্র বাহার আলিফ (১৪) হত্যা মামলার আসামী রাজা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার রামকৃষ্ণদি গ্রামে মোবাইল ফোনের কারণে  হত্যা হয় স্কুল ছাত্র আলিফকে।

জনগন হত্যাকারী চারজনকে আটক করে পুলিশকে সোপর্দ করলেও টাকার বিনিময়ে তিনজনকে ছেড়ে দেয় সিরাজদিখান থানা পুলিশ। সিরাজদিখান থানা পুলিশ থেকে জেলা পুলিশ সুপার গোয়েন্দা শাখায় মামলাটি প্রেরণ করে।  

বাহার আলিফ (১৪)উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের রামকৃষ্ণদী গ্রামের সৌদি প্রবাসী বাদল শেখের ছেলে। তার ক্ষত-বিক্ষত লাশ ১৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে সিরাজদিখান থানা পুলিশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। আলিফ উপজেলার শেখ মীয়ার হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। আলিফকে হত্যা করেছে এই মর্মে জোর করে আলিফের চাচাকে দিয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে হৃদয়কে আদালতে পাঠানো হয়। হত্যায় জড়িতদের ছেড়ে দেয়া এবং মামলা থেকে হত্যাকারীদের নাম বাদ দেয়াকে কেন্দ্র করে সিরাজদিখানে আন্দোলনের ঝড় ওঠে।

নিহত আলিফের ফুপাতো ভাই মোঃ রুবেল জানান, স্থানীয় এলাকাবাসী আলিফ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ৪ জনকে সিরাজদিখান থানায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করি। কিন্তু কর্তব্যরত ওসি ইয়ারদৌস হাসান একজনকে রেখে বাকি তিন জনকে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়। এর ফলে স্থানীয় এলাকাবাসীরা বিক্ষোভসহ নানা কর্মকান্ড পালন করে এবং মিডিয়ায় ব্যপক আলোচনায় আসে।

মুন্সীগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, ৫ জুন বিকালে ঢাকার কেরানীগঞ্জের আলম টাওয়ার থেকে রাজাকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। বাকী দুজন আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে। তারা বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের এস আই মোঃ সালাম জানান, পুলিশ সুপার এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পরামর্শক্রমে আমরা মামলার প্রধান আসামী রাজাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। বাকি দুইজন আসামীকে গ্রেফতার করতে পুলিশ কাজ করছে।

সম্পর্কিত সংবাদ

কমেন্টস

[খবরটি এখান থেকে এসেছে]

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*